Green Energy Foundation of Bangladesh (GEFB)

জামালপুরে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পর কমেছে লোডশেডিং

 

জামালপুরে স্থাপন করা হয়েছে দেশের প্রথম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এখান থেকে প্রতিদিন ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে এলাকায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কমেছে। তবে ভূমি অধিকরণ ও সোলার আমদানিতে সরকারের সাহায্য পেলে এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আরো সম্প্রসারণ করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

২০১৭ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া জায়গায় স্থাপন করা হয় দেশের প্রথম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র ‘এনগ্রিন সরিষাবাড়ী সোলার প্ল্যান্ট লিমিটেড’। ৮ একর জায়গায় সারি সারি ভাবে বসানো হয় সৌর বিদ্যুতের প্যানেল। এর মধ্যে দিয়ে চলে গেছে ৩৩ হাজার ভোল্টের লাইন, যা দিয়ে প্রতিদিন ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ হচ্ছে।

এই এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৬ মেগাওয়াট। কিন্তু স্থানীয় পিডিবি থেকে সরবরাহ করা হতো মাত্র ৩ মেগাওয়াট। পরে চলতি বছরের ১৫ জুলাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হওয়ায় আরো ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি, এলাকায় লোডশেডিং কমেছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীরা বলেন, ‘আগে বিদ্যুৎ গেলে ২-৩ ঘণ্টা পর আসত আর এখন বিদ্যুৎে যাই না বললেই চলে।’

সরকারি ঋণের সহজলভ্যতা, ভূমি অধিকরণ ও সোলার আমদানিতে সরকারের সাহায্য পেলে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্প্রসারণ করা সম্ভব বলে মনে করেন বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিটির কমর্কর্তারা।

এনগ্রিন সরিষাবাড়ী সোলার প্ল্যান্ট লিমিটেড প্রজেক্ট ডিরেক্টর জিএম সরকার বলেন, ‘ বড় কোন প্রজেক্ট করতে গেলে সরকারি ঋণ ছাড়া কেউ সম্পূর্ণ করতে পারবে না।’

এনগ্রিন সরিষাবাড়ী সোলার প্ল্যান্ট লিমিটেড প্রজেক্ট ম্যানেজার সত্য রঞ্জন বল বলেন, ‘আমদানি ও ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, এই দুই’টি সমস্যা সমাধানে সরকারকে সহায়তা করতে হবে।

সরিষাবাড়ীতে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপনে ব্যয় হয় ৫৪ কোটি ২২ লাখ টাকা। এই অর্থ বিনিয়োগ করে ৩টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত যৌথ বিনিয়োগ কোম্পানি আইএফই-সিপিসি-জেইএল কনসোর্টিয়াম।

তথ্য সুত্র ঃ Somoy Media Limited