Green Energy Foundation of Bangladesh (GEFB)

এবার সৌরশক্তিতে চলবে প্যাসেঞ্জার ট্রেন

দূষণ ও ডিজেল খরচ কমানোর জন্য সোলার ট্রেন চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল ৷ তবে ছোট আকারে ট্রায়াল রান শুরু হয়ে গেছে এরই মধ্যে। তাতে সাফল্য পাওয়ার পর আগামী দিনে সাশ্রয়ী রেলযাত্রার আশা করা হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে এই সময়। এই ট্রেনের সমস্ত লাইট ও ফ্যান সৌর শক্তির মাধ্যমে চলবে ৷ যোধপুরের রেলের কর্মশালায় সোলার ট্রেনটি বানানো হয়েছে ৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এরকম কমপক্ষে ৫০টি ট্রেনের কামরা বানানো হবে ৷ ট্রেনের কোচের ছাদে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল  ৷ ট্রেনের ভিতরের লাইট, ফ্যান, AC সমস্ত বিদ্যুতের উত্‍‌স হবে সৌরশক্তি। এই প্রকল্পের জন্য ১.৯৫ কোটি টাকা যোধপুর কর্মশালার জন্য বরাদ্দ করেছে রেল বোর্ড ৷ সোলার ট্রেনে বছরে  ৯০,০০০ লিটার ডিজেল যার মূল্য  ৮৪ লক্ষ টাকা কম লাগবে  ৷ ট্রেনে সৌরশক্তির ব্যবহারে কমবে ডিজেল ও বিদ্যুতের চাহিদা ৷  পাশাপাশি কমবে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডওয়ের পরিমাণ।

দেশে কর্মচারীদের বেতন দিতে সবচেয়ে বেশি খরচ হয় কেন্দ্রীয় সরকারের। এরপরের খরচটাই হলো রেলে জ্বালানির খরচ। তা কমাতেই সৌরচালিত ট্রেন চালানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারতীয় রেলমন্ত্রণালয়।

রেলের ডিভিশনাল ম্যানেজার অরুণ অরোরা জানিয়েছেন, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে একটি non-AC কোচের মাথার ওপর সোলার প্যানেল লাগানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই ট্রায়াল সফল হয়েছে। দিনে ১৭ ইউনিট বিদ্যুত্‍‌ উত্‍‌পাদন করতে পারছে এই কোচ। এর সাফল্যের ওপর খুব শিগগিরই গোটা ট্রেনকেই সৌরচালিত করার কথা ভাবা হচ্ছে।
সৌরচালিত একটি ট্রেনে রেলের খরচ বছরে ১.২৪ লাখ টাকা কমবে। অরোরা বলছেন, ট্রেনে সৌরশক্তির ব্যবহারে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে, ডিজেলের ব্যবহার কমবে এবং বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হওয়াও কমবে। সমীক্ষা বলছে, একটি ট্রেন সৌরচালিত হলে বছরে ৯০,০০০ লিটার কম ডিজেল লাগবে এবং ২০০ টন কম কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাতাসে নির্গত হবে।
ট্রেনে সৌরশক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটা বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে রেল দফতরের। তারা চাচ্ছে, ট্রেনের ইঞ্জিনটি থাকবে ডিজেলচালিত। আর ট্রেনের ভেতরে লাইট, ফ্যান, AC থেকে শুরু করে যাবতীয় বিদ্যুতের উৎস হবে সৌরশক্তি।