নগরীকে শতভাগ আলোকায়নের প্রকল্প চসিকের

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এলাকা শতভাগ আলোকায়নের আওতায় আনতে ৬৪০ কোটি টাকার প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে, ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শহরের ৫৮ কিলোমিটার সড়কের আলোকায়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে নগরীর ফিরিঙ্গিবাজার সংলগ্ন মেরিনার্স রোডের দুই কিলোমিটার সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে আলোকায়ন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পূর্বকোণকে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীকে যেসব সেবা দিয়ে থাকে তার মধ্যে আলোকায়ন অন্যতম। তাই পুরো শহরকে শতভাগ আলোকায়নের আওতায় আনার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ভারত অর্থায়ন করবে। প্রকল্পটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পুরো শহর এলইডি বাতির আওতায় এসে যাবে। চসিকের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. জাবেদ পূর্বকোণকে জানান, বর্তমানে ২৭ কোটি টাকার ৫৮ কিলোমিটার সড়ক আলোকায়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এর মধ্যে ৫৬ কিলোমিটার ননসোলার এবং দুই কিলোমিটার সোলার সিস্টেমে আলোকায়ন করা হয়েছে। মেরিনার্স রোডের দুই কিলোমিটার এলাকায় ১০৩টি সৌর বিদ্যুৎ পুল স্থাপন করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, গ্রা– ওপেনিং করার পরিকল্পনা আছে। এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পর আরো একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে সড়ক নতুন করে আলোকায়ন করা হবে। এটি হবে কাউন্সিলরের চাওয়া অনুযায়ী। কাউন্সিলর যে সড়ক আলোকায়নের প্রস্তাব দেবেন সেই সড়কটিতে আলোকায়ন করা হবে। এভাবে ৪১টি ওয়ার্ডে কাজ করা হবে। আগামী মাস থেকেই নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে।

চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ পূর্বকোণকে জানান, ৬৪০ কোটি টাকার প্রকল্পটি মাসখানেক আগে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। তারা কিছু সংশোধন করার পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি সংশোধন করে গত বৃহস্পতিবার সংশোধিত ডিপিপি জমা দেয়া হয়েছে। সারা শহর আলোকায়নের আওতায় আনতে ৬৩ হাজার বাতির প্রয়োজন। সেভাবেই প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্পটি মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনে যাবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের সব সড়ক এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে। অর্থাৎ যেসব সড়কে এখনো টিউবলাইট আছে তা পরিবর্তন করে এলইডি বাতি লাগানো হবে। শহরে প্রায় ১৩০০ কিলোমিটার আলোকায়নযোগ্য সড়ক আছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে শহরের কোন সড়কে অন্ধকার থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *